নৌ-খাতে নতুন নেতৃত্বের উত্থান: যুগ্ম সম্পাদক নির্বাচিত হয়ে প্রশংসায় ভাসছেন মোহাম্মদ সোহাগ

355

বাংলাদেশের নৌ-পরিবহন খাতের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ সংগঠন বাংলাদেশ কার্গেো ভেসেল ওনার্স এসোসিয়েশনের ২০২৫–২০২৭ মেয়াদের নতুন কমিটিতে যুগ্ম সম্পাদক হিসেবে নির্বাচিত হয়ে প্রশংসায় ভাসছেন বিশিষ্ট ব্যবসায়ী আলহাজ্ব মোহাম্মদ সোহাগ। তার এই অর্জন শুধু ব্যক্তিগত সাফল্য নয়, বরং দেশের কার্গো ভেসেল খাতের জন্যও একটি ইতিবাচক বার্তা হিসেবে দেখা হচ্ছে।

নারায়ণগঞ্জের ব্যবসায়ী অঙ্গনে সুপরিচিত মুখ মোহাম্মদ সোহাগ দীর্ঘদিন ধরে সততা, দক্ষতা ও নেতৃত্বগুণের মাধ্যমে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করেছেন। নারায়ণগঞ্জ চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি–এর পরিচালক হিসেবে তিনি ব্যবসায়ী সমাজে ইতোমধ্যেই আস্থা ও সম্মানের প্রতীক হয়ে উঠেছেন। পাশাপাশি মীম শরৎ গ্রুপ–এর ব্যবস্থাপনা পরিচালক হিসেবে তিনি সফলভাবে শিল্প ও বাণিজ্য কার্যক্রম পরিচালনা করছেন।

শুধু ব্যবসায়িক ক্ষেত্রেই নয়, মানবিক ও সামাজিক দায়িত্ববোধ থেকেও তিনি এগিয়ে রয়েছেন। মীম শরৎ ওয়েলফেয়ার ট্রাস্ট–এর প্রতিষ্ঠাতা হিসেবে সমাজের অসহায় ও সুবিধাবঞ্চিত মানুষের পাশে দাঁড়িয়ে ইতোমধ্যেই প্রশংসা কুড়িয়েছেন। তার এই বহুমাত্রিক অবদানই তাকে অন্যদের থেকে আলাদা করেছে।

গত ৮ মার্চ অনুষ্ঠিত নির্বাচনের মাধ্যমে গঠিত নতুন কমিটিতে তিনি যুগ্ম সম্পাদক নির্বাচিত হওয়ার পর সংগঠনের নেতৃবৃন্দ ফুল দিয়ে শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানান। সংগঠনের ভেতরে ও বাইরে তার এই নির্বাচনে ব্যাপক আনন্দ ও ইতিবাচক প্রতিক্রিয়া লক্ষ্য করা গেছে। সহকর্মীরা মনে করছেন, তার মতো অভিজ্ঞ ও দূরদর্শী নেতৃত্ব সংগঠনকে আরও শক্তিশালী করবে।

নতুন কমিটির সভাপতি হিসেবে জিবি হোসেন এবং সাধারণ সম্পাদক হিসেবে মোঃ খুরশিদ আলম দায়িত্ব পেয়েছেন। তাদের সঙ্গে সমন্বয় করে মোহাম্মদ সোহাগ সংগঠনের কার্যক্রমকে আরও গতিশীল ও আধুনিক করার ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবেন বলে প্রত্যাশা করা হচ্ছে।

নেতৃবৃন্দের ভাষ্য অনুযায়ী, মোহাম্মদ সোহাগের নেতৃত্বগুণ, সংগঠনিক দক্ষতা এবং নৌ-খাত সম্পর্কে বাস্তব অভিজ্ঞতা বাংলাদেশে কার্গো ভেসেল খাতের উন্নয়নে নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে। তার হাত ধরে মালিকদের স্বার্থ সংরক্ষণ, ব্যবসায়িক পরিবেশ উন্নয়ন এবং নৌ-পরিবহন ব্যবস্থার আধুনিকায়নে উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি হবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করা হয়েছে।

সব মিলিয়ে, আলহাজ্ব মোহাম্মদ সোহাগের এই অর্জন শুধু একটি পদ লাভ নয়—এটি তার দীর্ঘদিনের পরিশ্রম, সততা এবং নেতৃত্বের স্বীকৃতি। সংশ্লিষ্ট সকলেই বিশ্বাস করেন, তার হাত ধরেই সংগঠন আরও শক্তিশালী, কার্যকর ও প্রভাবশালী হয়ে উঠবে। ##