নিজস্ব প্রতিবেদক :
নারায়ণগঞ্জে গুরুত্বপূর্ণ প্রশাসনিক পদে মেধাবী, কর্মঠ ও সৎ নেতৃত্বকে দায়িত্ব দেওয়ায় সাধারণ মানুষের মধ্যে ইতিবাচক প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে। স্থানীয়দের মতে, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান দলীয় রাজনীতির ভেতর থেকে শিক্ষিত ও যোগ্য ব্যক্তিদের বেছে নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্বে নিয়োগ দিচ্ছেন, যা ভবিষ্যতে সুশাসন প্রতিষ্ঠায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।
সম্প্রতি নারায়ণগঞ্জ জেলা পরিষদের প্রশাসক হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে জেলা বিএনপির আহ্বায়ক অধ্যাপক মামুন মাহমুদকে। এর আগে নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশনের প্রশাসক হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছেন মহানগর বিএনপির আহ্বায়ক অ্যাডভোকেট সাখাওয়াত হোসেন খান। এই দুই নেতাকে গুরুত্বপূর্ণ দুটি প্রতিষ্ঠানের দায়িত্ব দেওয়াকে নারায়ণগঞ্জবাসী ইতিবাচকভাবে দেখছেন।
শহরের চাষাঢ়া এলাকার ব্যবসায়ী আব্দুল কাদের বলেন, দীর্ঘদিন ধরে আমরা এমন নেতৃত্বই প্রত্যাশা করেছি যারা শিক্ষিত, অভিজ্ঞ এবং সৎ। তারেক রহমান ঠিক সেই ধরনের মানুষদের দায়িত্ব দিচ্ছেন। এতে আমরা আশাবাদী।
ফতুল্লার বাসিন্দা গৃহিণী রহিমা বেগম বলেন, মামুন মাহমুদ একজন ভদ্র ও শিক্ষিত মানুষ হিসেবে পরিচিত। তিনি দীর্ঘদিন আন্দোলন সংগ্রামের মধ্য দিয়ে রাজনীতি করেছেন। তাকে জেলা পরিষদের প্রশাসক করা হলে সাধারণ মানুষের সমস্যা সমাধানে ইতিবাচক পরিবর্তন আসবে বলে আমরা বিশ্বাস করি।
অন্যদিকে সিদ্ধিরগঞ্জের বাসিন্দা কলেজ শিক্ষক মো. নাসির উদ্দিন বলেন, সাখাওয়াত হোসেন খান একজন অভিজ্ঞ আইনজীবী ও রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব। তাকে সিটি করপোরেশনের প্রশাসক হিসেবে নিয়োগ দেওয়াটা সময়োপযোগী সিদ্ধান্ত। এতে নগর ব্যবস্থাপনায় শৃঙ্খলা ফিরবে বলে আমরা আশা করি।
রাজনৈতিক বিশ্লেষকরাও মনে করছেন, দীর্ঘদিন ধরে ত্যাগী ও শিক্ষিত নেতাদের সামনে নিয়ে আসার মাধ্যমে তারেক রহমান একটি নতুন রাজনৈতিক সংস্কৃতি প্রতিষ্ঠার চেষ্টা করছেন। এতে দলীয় রাজনীতিতে মেধা ও যোগ্যতার মূল্যায়ন বাড়বে।
স্থানীয়দের মতে, অধ্যাপক মামুন মাহমুদ ও অ্যাডভোকেট সাখাওয়াত হোসেন খান যদি সততা ও দক্ষতার সঙ্গে তাদের দায়িত্ব পালন করেন, তাহলে নারায়ণগঞ্জের উন্নয়ন ও সুশাসন প্রতিষ্ঠায় একটি নতুন দৃষ্টান্ত সৃষ্টি হতে পারে।
নারায়ণগঞ্জের সচেতন নাগরিকরা মনে করেন, যোগ্য নেতৃত্বকে গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্বে বসানোর এই ধারাবাহিকতা বজায় থাকলে প্রশাসনের প্রতি সাধারণ মানুষের আস্থা আরও বাড়বে এবং উন্নয়ন কর্মকাণ্ডও গতি পাবে। ##




