বক্তাবলীর রাধানগর গ্রামে মাদ্রাসায় আগুন, তিন লাখ টাকার ক্ষতি

330

নিজস্ব প্রতিবেদক :
নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লা মডেল থানা এলাকার বক্তাবলী ইউনিয়নের একটি মাদ্রাসায় আগুন দেওয়ার ন্যাক্কারজনক ঘটনা ঘটেছে। গত ০৯/০৫/২০২৩ তারিখে ঘটা এই ঘটনার প্রেক্ষিতে ফতুল্লা মডেল থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করা হলেও ঘটনার চারদিন অতিবাহিত হওয়ার পরও পুলিশ কোনো কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ করেনি বলে ভুক্তভোগীদের পক্ষ থেকে অভিযোগ উঠেছে।
লিখিত অভিযোগে প্রকাশ, ফতুল্লা থানাধীন প্রসন্ননগর গ্রামে বিগত ৯ বছর যাবৎ একটি মাদ্রাসা পরিচালনা করে আসছিলেন ভুক্তভোগী মোঃ সাইদুর রহমান। জমির মালিক মাদ্রাসার জমি বিক্রি করার সিদ্ধান্ত নিলে, বিগত ১ বছর পূর্বে স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গের সহায়তায় রাধানগর এলাকার জনৈক রিপন মিয়ার নিকট থেকে জমি ভাড়া নিয়ে ‘আলী (রাঃ) দারুল উলুম মাদ্রাসা’ নামে প্রতিষ্ঠানটি স্থানান্তর করা হয়। পরবর্তীতে ওই মাদ্রাসার পাশে মোঃ সাইদুর রহমান নিজের ১২ শতাংশ এবং হাজী আবুল হোসেন নামের এক ব্যক্তি ৫ শতাংশ জমি দান করেন। অস্থায়ী জায়গা ছেড়ে দিয়ে এই দানকৃত জমিতে মাদ্রাসার স্থায়ী ভবন নির্মাণের পরিকল্পনা ও সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।
অভিযোগ পত্রে উল্লেখ করা হয়, এলাকায় একটি কু-চক্রী মহল এই মাদ্রাসা নির্মাণের বিরুদ্ধে গোপনে ষড়যন্ত্র করে আসছিল। এরই ধারাবাহিকতায় গত ০৯/০৫/২০২৩ তারিখ রাত আনুমানিক ০২:০০ ঘটিকার পর একটি দুষ্কৃতিকারী দল অস্থায়ী মাদ্রাসায় আগুন ধরিয়ে দেয়। আগুনে মাদ্রাসায় থাকা পবিত্র কোরআন ও হাদিস পুড়ে ছাই হয়ে যায়। স্থানীয় লোকজন আগুন দেখতে পেয়ে মাদ্রাসা কমিটিকে খবর দেয় এবং সবার সম্মিলিত চেষ্টায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আনা হয়। এই অগ্নিকাণ্ডে মাদ্রাসার আনুমানিক ৩,০০,০০০ (তিন লক্ষ) টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে বলে দাবি করা হয়েছে। ঘটনাটি ঘটার পর স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গকে বিস্তারিত জানাতে এবং সামাজিক আলোচনার কারণে থানায় অভিযোগ দায়ের করতে কিছুটা বিলম্ব হয়। তবে অভিযোগ দায়েরের পর চারদিন পার হয়ে গেলেও পুলিশ অপরাধীদের চিহ্নিত করতে বা কোনো দৃশ্যমান পদক্ষেপ না নেওয়ায় মাদ্রাসা কর্তৃপক্ষ ও স্থানীয় এলাকাবাসীর মধ্যে চরম ক্ষোভ ও অসন্তোষ বিরাজ করছে। তারা অবিলম্বে এই ন্যাক্কারজনক ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত এবং দুষ্কৃতিকারীদের দ্রুত আইনের আওতায় আনার জোর দাবি জানিয়েছেন। ##