শেষ মুহুর্তে মাসুদের মনোনয়ন ঠেকাতে ভয়ানক ষড়যন্ত্র!

1114

স্টাফ রিপোর্টার :
নারায়নগঞ্জ-৫ আসনের বিএনপির মনোনীত প্রার্থী মাসুদুজ্জামানের মনোনয়ন ঠেকাতে শেষ মুহুর্তে ভয়ানক ষড়যন্ত্রে লিপ্ত রয়েছেন চিহ্নিত কুচক্রী মহল। যেকোনো মূল্যে তারা মাসুদুজ্জামানের মনোনয়ন ঠেকাতে চান। আর এটা বাস্তবায়ন করার জন্য তারা চরম একটি নোংরা খেলার প্রস্তুতি নিয়ে রেখেছেন বলে জানিয়েছে সংশ্লিষ্ট সূত্র। সমাজে মাসুদুজ্জামানের যে ইতিবাচক ভাবমূর্তি রয়েছে তার এই ভাবমূর্তি ক্ষতি করার জন্য ভুয়া অডিও তৈরী করে প্রচার করা এবং মিথ্যা সাজানো মামলা দিয়ে মিডিয়ায় বড় আকারে রিপোর্ট করানোর অপচেষ্টা অব্যাহত রেখেছে। সূত্রটি আরো জানায় বিএনপি সারা দেশে ২৩৭ আসনে মনোনয়ন ঘোষনা করলেও চূড়ান্ত মনোনয়ন ঘোষনা করেনি। তবে তারা এটা জানতে পেরেছেন যে বিএনপির কেন্দ্রে মাসুদুজ্জামানের অবস্থান বেশ মজবুত। বিশেষ করে দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারপার্সন তারেক রহমান নিজে তাকে পছন্দ করেন। কারন বিগত ফ্যাসিষ্ট সরকারের দীর্ঘ সময় এই মাসুদুজ্জামান তারেক রহমানের কথায় সারা দেশে দলটির নির্যাতীত নেতাকর্মীদের আর্থিক সহায়তা করেছেন। এটা এতোদিন কেউ না জানলেও সম্প্রতি মাসুদুজ্জানের এক বক্তৃতায় তিনি বলেছেন, অনেকে জানতে চান আমি বিগত ষোল বছর কোথায় ছিলাম। তাদের উদ্দেশ্যে আমি বলতে চাই, আমি এতোদিন কোথায় ছিলাম সেটা আপনারা দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানকে জিজ্ঞাসা করেন। আমি সারা বাংলাদেশে কাজ করেছি। সেটা জানেন তারেক রহমান। তার এই বক্তব্যের পর নারায়ণগঞ্জে বিএনপির সর্ব স্থরের নেতাকর্মীদের কাছ পরিস্কার হয়ে যায় যে তারেক রহমান কেনো তাকে মনোনয়ন দিয়েছেন। আর কুচক্রী মহলটিও বুঝতে পারে তার বিরুদ্ধে লোক দেখানো কিছু মিছিল সভা করে মনোনয়ন ঠেকানো যাবে না। পরবর্তীতে তারা নোংরা ষড়যন্ত্রের মাধেমে তাকে ঠেকানোর স্বিদ্ধান্ত নেয়। তারা এই নোংরা খেলার অংশ হিসাবে শেষ সময়ে গিয়ে তার বিরুদ্ধে আদালতে মানহানিকর মামলা করানোর স্বিদ্ধান্ত নিয়েছে। টাকার বিনিময়ে ভাড়া করা লোক দিয়ে এই মামলা করানো হবে। আর মামলা করানোর সাথে সাথেই বেশ কয়েকটি জাতীয় মিডিয়ায় প্রচার করারও প্রস্তুতি নেয়া হয়েছে। আর এসব করার জন্য বেশ মোটা অংকের বাজেট নিয়ে নেমেছে এই ষড়যন্ত্রকারীরা। তবে এসব বিষয়ে আগে থেকেই অবগত রয়েছেন দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান সহ দলের শীর্ষ মহল।
এদিকে নারায়ণগঞ্জ-৫ আসনের মানুষ এরই মাঝে জানতে পেরেছেন বিএনপির প্রার্থী মাসুদুজ্জামান ফ্যাসিষ্ট সরকারের বিগত ষোল বছর কিভাবে বিএনপির জন্য কাজ করেছেন। তিনি কিভাবে সারা দেশে দলের নির্যাতীত নেতাকর্মীদেরকে আর্থিক সহায়তা করেছেন। খোদ তারেক রহমানের নির্দেশে তিনি বিএনপির বিএনপির আন্দোলন সংগ্রামে যারা আহত এবং নিহত হয়েছেন তাদের এবং তাদের পরিবারের পাশে ছিলেন। তাই বিএনপির মাঠ পর্যায়ের নেতাকর্মী সমর্থকরা মনে করেন এই আসনে সঠিক লোককেই মনোনয়ন দিয়েছেন তারেক রহমান। এছাড়া নারায়ণগঞ্জ শহরে আরো আগে থেকেই মাসুদুজ্জামান একজন মানবিক ব্যবসায়ী এবং বিশিষ্ট সমাজসেবক হিসাবে পরিচিত। তিনি একজন সফল উদ্যোক্তা। তাই তিনি নির্বাচিত হলে তাকে কোনো রকম চাঁদাবাজী, ধান্দাবাজী করে খেতে হবে না। ফলে নারায়ণগঞ্জের জনগন তাকে একজন যোগ্য প্রার্থী হিসাবেই বিবেচনা করছে। তার নির্বাচিত হওয়ার সম্ভাবনা শতভাগ। আর তিনি নির্বাচিত হলে যাদের চাঁদাবাজী ধান্দাবাজী বন্ধ হয়ে যাকে তারাই এখন তাকে ঠেকাতে তার চরিত্র হনন করে তাকে ঠেকানোর জন্য মরিয়া হয়ে মাঠে নেমেছে। ##