শহর-বন্দরে চাড়া নাচানোর প্রস্তুতি প্রভাবশালী প্রার্থী মাকসুদের

87

স্টাফ রিপোর্টার :
আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নারায়ণগঞ্জ-৫ (সদর ও বন্দর) আসনে রাজনৈতিক উত্তাপ ক্রমেই বাড়ছে। স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে আলোচনার কেন্দ্রে উঠে এসেছেন আলহাজ্ব মোঃ মাকসুদ হোসেন। স্থানীয় রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা মনে করছেন, দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতা এবং স্থানীয় পরিচিতি তাঁকে ভোটারদের কাছে প্রভাবশালী প্রার্থী হিসেবে উপস্থাপন করছে।
মাকসুদ হোসেন মনোনয়নপত্রের বৈধতা ফিরে পাওয়ার পর নির্বাচনী মাঠে সক্রিয়ভাবে অংশ নিচ্ছেন। স্থানীয় ভোটাররা স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে তার প্রার্থিতা নিয়ে আগ্রহ দেখাচ্ছেন, কারণ তাঁকে কোনো দলের চাপে না পড়ে এলাকার সমস্যা জাতীয় সংসদে তুলে ধরার সম্ভাবনা বেশি।

নির্বাচনী শক্তি ও পরিকল্পনা :
সাবেক বন্দর উপজেলা চেয়ারম্যান মাকসুদ হোসেন স্থানীয় প্রশাসনে দায়িত্ব পালনের অভিজ্ঞতা রাখেন। নির্বাচনী প্রচারণায় তিনি মূলত স্থানীয় উন্নয়ন, কর্মসংস্থান সৃষ্টি, নাগরিক সুবিধা বৃদ্ধির পাশাপাশি তরুণ সমাজের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করার ওপর গুরুত্ব দিচ্ছেন। তিনি একাধিক গণসংযোগে বলেছেন, “নারায়ণগঞ্জ-৫ আসনের মানুষের অধিকার ও উন্নয়নের প্রশ্নে আপসহীন থেকে কাজ করতে চাই।”
রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা মনে করছেন, তার মূল শক্তি হলো দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতা, স্থানীয় পরিচিতি এবং স্বতন্ত্র প্রার্থীর ইমেজ। ভোটাররা মনে করেন, মাকসুদ হোসেন দলীয় রাজনীতির বাইরে থেকে সৎ ও কার্যকর নেতৃত্ব প্রদানের সুযোগ রাখেন।

নির্বাচনী চ্যালেঞ্জ ও হুমকি :
তবে স্বতন্ত্র প্রার্থী হওয়ায় তার পথ কিছুটা চ্যালেঞ্জিং। দলের সমর্থন না থাকায় প্রচারণা ও অর্থের সীমাবদ্ধতা রয়েছে। এছাড়া ভোট ভাগাভাগির কারণে জয় নিশ্চিত করা কঠিন হতে পারে। প্রধান রাজনৈতিক দলের শক্তিশালী প্রার্থী ও নির্বাচনী উত্তাপও তার জন্য হুমকি হিসেবে কাজ করতে পারে।

শক্তি:
দীর্ঘ রাজনৈতিক অভিজ্ঞতা, স্থানীয় পরিচিতি, স্বাধীন নেতৃত্ব, গণসংযোগ ও প্রচারণা দক্ষতা।

দুর্বলতা:
দলীয় সমর্থনের অভাব, ভোট ভাগাভাগির ঝুঁকি, নির্বাচনী প্রচারণার সীমাবদ্ধতা।

সুযোগ: স্থানীয় উন্নয়ন বাস্তবায়ন, যুব সমাজের সমর্থন বৃদ্ধি, স্বতন্ত্র পরিচিতির মাধ্যমে ভোটার আস্থা অর্জন।
হুমকি: প্রধান দলের প্রতিদ্বন্দ্বিতা, ভোট বিভাজন, নির্বাচনী চাপ এবং সামাজিক অস্থিরতা।
এদিকে নারায়ণগঞ্জ-৫ আসনে মাকসুদ হোসেনের স্বতন্ত্র প্রার্থিতা ভোটের মাঠে নতুন মাত্রা যোগ করেছে। দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতা, স্থানীয় পরিচিতি এবং কার্যকর নির্বাচনী প্রচারণার মাধ্যমে তিনি ভোটারদের কাছে শক্তিশালী প্রার্থী হিসেবে নিজেকে উপস্থাপন করতে সক্ষম। তবে দলীয় সমর্থনের অভাব এবং ভোট ভাগাভাগি তার জন্য গুরুত্বপূর্ণ চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়াতে পারে। ভোটের দিন যত ঘনিয়ে আসছে, ততই এই আসনের রাজনৈতিক উত্তাপ এবং জন-আগ্রহ বেড়ে যাচ্ছে। তাই তিনি মাঠে নামলে শহর ও বন্দরে চাড়া নাচবে বলে ধারনা করা হচ্ছে। ##