যে সকল কারনে নারায়ণগঞ্জ-৪ আসনে তারেক রহমানের পছন্দের শীর্ষে রনি?

996

স্টাফ রিপোর্টার :

মশিউর রহমান রনির মাঝে কোনো নাটক নেই। তিনি তরুন প্রজন্মের অদম্য একজন নেতা। গত বছরের ৫ আগষ্টের আগে এবং পরে তিনি যা করেছেন এই জেলায় তার সমতুল্য আর কেউ নেই। তাই বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারপার্সন তারেক রহমানের কাছেও তিনি অদম্য একজন নেতা হিসাবে পরিচিতি লাভ করেছেন। ৫ আগষ্টের আগে ছিলেন তুখোর এক রাজনৈতিক কর্মী যিনি নিজের জীবন বাজী রেখে এ দেশের গণতন্ত্রের জন্য লড়াই করেছেন। ওই সময় রনি ছাত্র দলের সভাপতি ছিলেন। আর তখন শামীম ওসমান কোনো বক্তব্য দিলে রনি সেটার প্রতিবাদ করতেন এবং বিএনপির ঘোষিত আন্দোলনগুলিতে মাঠের রাজনীতিতে সক্রিয় ছিলেন। বিএনপির ডাকা হরতালগুলিতে রাজপথে রনির কোনো বিকল্প ছিলোনা। বরং বলা চলে রনির তৎপরতায় অতিষ্ট হয়ে আওয়ামী লীগের এমপি এবং পুলিশ প্রশাসন মিলে তাকে শেষ করে দিতে চেয়েছিলো। তখন তাকে গুম করেছিলো পুলিশ। কিন্তু কিছু মিডিয়ার সাহসী ভূমিকার কারনে শেষ পর্যন্ত তাকে গুম করতে পারেনি পুলিশ। তার পরেও তাকে দফায় দফায় রিমান্ডে নিয়ে নির্মম নির্যাতন চালানো হয়েছিলো। তার কাছ থেকে অস্ত্র, বোমা এবং গুলি উদ্ধারের ভুয়া নাটক সাজানো হয়েছিলো। তখন এসব কিছুই পর্যবেক্ষন করেছেন তারেক রহমান। আবার ৫ আগষ্টের পরে তিনি তার নিজের এলাকার মানুষের দু:খদূর্দশা লাগবে মাঠে নেমে কাজ করেছেন তিনি। এছাড়া এবার ফতুল্লার জলাবদ্ধতা নিরসনে তিনি যা করছেন তার নজিরবিহীন। তিনি সেটা করছেন নিজের পকেটের টাকা খরচ করে। সরাসরি তিনি অত্র এলাকার খালগুলি পরিস্কার করে দিয়েছেন। এতে করে বৃষ্টির পানি এবং ঘর-গৃহস্তালির পানি নিস্কাশনের যে পথগুলি বন্ধ হয়ে গিয়েছিলো সেগুলো খুলে দিয়েছেন রনি। তখন প্রায় এক মাস ধরে তিনি ভেকু লাগিয়ে খালগুলি পরিস্কার করেন। এতে জলাবদ্ধতা থেকে মুক্ত হয় ফতুল্লার মানুষ।
তাই এসব কারনে তারেক রহমান এখন রনিকে মূল্যায়ন করতে চান। তিনি তাকে দলের মনোনয়ন দিতে চান। কিন্তু দলটির স্থায়ী কমিটির কিছু নেতা রনিকে মনে করেন ছোট মানুষ বা বয়স কম। তাই বলে তাকে তারা মনোনয়ন দিতে চাইছে না। আবার জমিয়ত নেতা মনির হোসাইন কাসেমীকে মনোনয়ন দেয়ার বিষয়টি মাথায় রেখেও এতোদিন আসনটির মনোনয়ন ঝুলিয়ে রাখা হয়েছে। তবে এবার এই আসনে বিএনপি তাদের নিজ দলের প্রার্থী দেয়ার স্বিদ্ধান্ত নিয়েছে বলে জানা গেছে এবং তারেক রহমানের প্রথম পছন্দের তালিকায় রয়েছেন মশিউর রহমান রনি। এছাড়া সাবেক এমপি মোহাম্মদ আলী, গিয়াস উদ্দিন এবং বিএনপি নেতা শাহআলম বিএনপির স্থায়ী কমিটির অন্য সদস্যদের এবং দলের বিভিন্ন পর্যায়ের গুরুত্বপূর্ণ ব্যাক্তিকে ধরে লবিং করছেন বলেও জানা গেছে। ফলে শেষ পর্যন্ত এই আসনে কি ঘটে সেটা দেখার জন্য আরো কিছুদিন অপেক্ষা করতে হবে। ##