বিএনপির সাবেক সংসদ সদস্য মোহাম্মদ আলীর ‘মেকানিজমে’ বাংলাদেশ রিপাবলিকান পার্টি (বিআরপি) গঠিত হয়েছে বলে জানান দলটির প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান আবু হানিফ হৃদয়।
মঙ্গলবার (৬ জানুয়ারি) দুপুর ১২টায় নারায়ণগঞ্জ প্রেস ক্লাবে এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব কথা জানান।
তিনি আরও বলেন, ২০০৮ সালে বিআরপি গঠনের প্রক্রিয়া শুরু করলেও সেবার স্বতন্ত্র প্রার্থী হন আবু হানিফ। কিন্তু যাচাই-বাছাইয়ে তার মনোনয়ন বাতিল হয়ে যায়। পরে ২০১৪ সালে মোহাম্মদ আলীর সঙ্গে আলোচনা করলে তার উৎসাহ ও উদ্দীপনায় দল গঠনের কার্যক্রম এগোয়। সারাদেশে তাদের দেড়শ’র বেশি কার্যালয় স্থাপন ও নির্বাচন কমিশনের সকল শর্ত পূরণ করেন। এতে অর্থ দিয়েও সহযোগিতা করেন মোহাম্মদ আলী। বলা যেতে পারে তাঁর মেকানিজমের কারণেই “বাংলাদেশ রিপাবলিকান পার্টি হয়েছে”, বলেন তিনি। দলের নিবন্ধন পেতে দীর্ঘ আইনি লড়াই করতে হয়েছে জানিয়ে হৃদয় বলেন, এটা একটা দীর্ঘ আইনি লড়াই ছিল। ২০১৮ সালে মনোনয়ন বাতিল হলে মামলা করি। ৬০ জনের একটা আইনজীবী প্যানেল লড়াই করে গত বছরের ২৩ জুলাই হাইকোর্ট থেকে রায় পাই। পরে নেতাকে (মোহাম্মদ আলী) বললাম দায়িত্ব নেওয়ার জন্য। নেতা বলেন, ‘আমি তো বিএনপির এমপি ছিলাম। তোমার যত রকমের সহযোগিতা লাগে আমি করব; কি লাগবে তুমি শুধু বল কিন্তু আমি শেষবারের নির্বাচনটা বিএনপির মনোয়নে করতে চাই।’ তিনি যখন মনোনয়ন বঞ্চিত হন তখন বুঝালাম, আপনি দলটা প্রতিষ্ঠিত করছেন। নারায়ণগঞ্জে দলমত নির্বিশেষে সবার কাছে আপনি একজন গ্রহণযোগ্য ব্যক্তি। আপনে দলটা নারায়ণগঞ্জে প্রতিষ্ঠিত করে দিয়ে যান। তারপর সে নিজ থেকে রাজি হইছে যে, ঠিক আছে আমি দায়িত্ব নিয়ে চালাব। গত ২৭ ডিসেম্বর মোহাম্মদ আলী দলের সদস্য হন। বর্তমানে তিনি দলটির নির্বাহী চেয়ারম্যানের দায়িত্বে আছেন। খুব শীঘ্রই সম্মেলনের মধ্য দিয়ে তিনি চেয়ারম্যানের দায়িত্ব গ্রহণ করবেন।
নির্বাচন নিয়ে তিনি বলেন, রিপাবলিকান পার্টি থেকে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ৭৭টি মনোয়ন আমরা বিক্রি করেছি। আমাদের হয়তো ১৫ থেকে ২০টা আসন টিকবে। এর মধ্যে নারায়ণগঞ্জ চার আসনকে বেঁছে নিয়ে মুক্তিযোদ্ধ মোহাম্মদ আলী সাহেবের নেতৃত্বে আমরা রিপাবলিকান পার্টি যাত্রা শুরু করব। বীর মুক্তিযোদ্ধা মোহাম্মদ আলী সাহেবের নেতৃত্বে নারায়ণগঞ্জকে খুব অল্প সময়ে আমরা একটা উন্নত বিশ্বের মেগা সিটি হিসেবে উপহার দিব।
তিনি আরও বলেন, ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধে নারায়ণগঞ্জে সবচেয়ে বড় অবদান মোহাম্মদ আলী সাহেবের। তিনি প্রায় ২০ বছর ধরে জেলা কমান্ডার হিসেবে দায়িত্বে আছেন। শামীম ওসমান বলেন আর বর্তমান যারা আছে সবাই নিজ প্রয়োজনে মোহাম্মদ আলী কাছে যান; তিনি এমন একজন ব্যক্তি। তিনি যদি নারায়ণগঞ্জে এমপি নির্বাচিত হয়, আমরা খুব অতি সহজে যে কোন দলের সরকারের সাথে কাজ করতে পারবো। আমরা চট্টগ্রামের ন্যায় নারায়ণগঞ্জকে সুন্দর বন্দর, বাণিজ্যিক নগর তে রূপান্তর করবো। পোশাক রপ্তানিতে বৃদ্ধি করব।




