চরম ভোগান্তিতে বক্তাবলীবাসী

বক্তাবলীতে বিদ্যুৎ বিভ্রাটে অতিষ্ঠ গ্রাহক, অতিরিক্ত বিলের অভিযোগ

174

নিজস্ব প্রতিবেদক :

নারায়ণগঞ্জের বক্তাবলী ইউনিয়নে ঘন ঘন বিদ্যুৎ বিভ্রাট ও অতিরিক্ত বিলের অভিযোগে অতিষ্ঠ হয়ে পড়েছেন গ্রাহকরা। দীর্ঘ সময় বিদ্যুৎ না থাকা, কখন বিদ্যুৎ আসবে তার কোনো নিশ্চয়তা না থাকা এবং নিয়মিত বিদ্যুৎ বিল পরিশোধের পরও অতিরিক্ত বিলের বোঝা—সব মিলিয়ে ভোগান্তিতে পড়েছেন স্থানীয় বাসিন্দারা।

সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বক্তাবলীর বিদ্যুৎ পরিস্থিতি নিয়ে ক্ষোভ ও উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন স্থানীয় বাসিন্দা নূরমোহাম্মদ টিটু। এক ফেসবুক পোস্টে তিনি সংশ্লিষ্টদের দৃষ্টি আকর্ষণ করে বলেন, বক্তাবলী ইউনিয়নে বিদ্যুতের অবস্থা খুবই খারাপ। বারবার বিদ্যুৎ চলে গেলেও কখন বিদ্যুৎ আসবে, তার কোনো নিশ্চয়তা থাকে না। একই সঙ্গে অতিরিক্ত বিলের বিড়ম্বনায় গ্রাহকরা জিম্মি হয়ে পড়েছেন বলেও অভিযোগ করেন তিনি।

তার ওই পোস্টের জবাবে শাহিদ উল্লাহ নামের একজন মন্তব্য করেন। পরে নূরমোহাম্মদ টিটু বিদ্যুৎ পরিস্থিতি নিয়ে ব্যঙ্গাত্মক মন্তব্য করে লেখেন, দেশে মাত্র তিন দিন ছিলেন এবং বিদ্যুতের খুঁটি বসানোর প্রক্রিয়ায় তিনি শুরু থেকেই ছিলেন। তখন খুঁটিগুলো এত লম্বা করে বসানো হচ্ছে কেন, তা বুঝতে পারেননি বলে উল্লেখ করেন তিনি।

ফেসবুক মন্তব্যে তিনি আরও দাবি করেন, একজন মন্ত্রী নাকি লম্বা খুঁটিকেই বিদ্যুৎ আসার দীর্ঘসূত্রিতার কারণ হিসেবে উল্লেখ করেছেন। বিষয়টি নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করে তিনি বক্তাবলী এলাকার বিদ্যুৎ পরিস্থিতির জন্য স্থানীয়দের ‘জ্ঞানের অভাব’কে দায়ী করার ব্যঙ্গাত্মক মন্তব্য করেন।

স্থানীয়দের অভিযোগ, বক্তাবলীর মতো একটি গুরুত্বপূর্ণ ও জনবহুল এলাকায় বিদ্যুৎ সরবরাহ ব্যবস্থার এমন পরিস্থিতি দীর্ঘদিন চলতে পারে না। ঘন ঘন বিদ্যুৎ চলে যাওয়ায় ব্যবসা-বাণিজ্য, শিক্ষার্থীদের পড়াশোনা, ক্ষুদ্র শিল্পসহ স্বাভাবিক জীবনযাত্রা ব্যাহত হচ্ছে।

এলাকাবাসীর দাবি, বিদ্যুৎ বিভ্রাটের প্রকৃত কারণ চিহ্নিত করে দ্রুত স্থায়ী সমাধানের উদ্যোগ নিতে হবে। একই সঙ্গে অতিরিক্ত বিলের অভিযোগগুলো তদন্ত করে প্রকৃত বিল নির্ধারণ এবং গ্রাহকদের হয়রানি বন্ধে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কার্যকর পদক্ষেপ চান তারা।

এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট বিদ্যুৎ বিতরণ কর্তৃপক্ষের বক্তব্য পাওয়া গেলে তা প্রতিবেদনে সংযুক্ত করা যেতে পারে।