দেশের একজন ‘উদ্যোক্তা’ হিসাবে সোহাগের ‘অবদান অনন্য; সরকারের পৃষ্টপোষকতা দরকার

202

নিজস্ব প্রতিবেদক :
বিশিষ্ট শিল্প উদ্যোক্তা ও দেশের অন্যতম সফল ব্যবসায়ী আলহাজ্ব মোহাম্মদ সোহাগের প্রশংসায় মুখর হয়ে উঠেছে পুরো ব্যবসায়ী মহল। অপহরণ, অনলাইন ব্ল্যাকমেইল ও রাজনৈতিক ট্যাগিংয়ের মতো চরম সংকটের মধ্যেও যিনি হাজারো মানুষের কর্মসংস্থান সৃষ্টি করে দেশের অর্থনীতিকে সমৃদ্ধ করছেন, তাঁর অবদানকে ‘অনন্য’ বলে অভিহিত করছেন শিল্পপতিরা। তারা মনে করেন তার মতো প্রতিটি উদ্যোক্তা যাতে স্বাচ্ছন্দে ব্যবসা করতে পারে তার জন্য সরকারের আন্তরিক পৃষ্টপোষকতা দরকার।
স্থানীয় ব্যবসায়ী নেতৃবৃন্দ ও ঘনিষ্ঠ সূত্র জানিয়েছেন, আলহাজ্ব মোহাম্মদ সোহাগ শুধু একজন শিল্প উদ্যোক্তা নন, তিনি একজন সত্যিকারের দেশপ্রেমিক। শত বাধা-বিপত্তি সত্ত্বেও তিনি প্রায় পাঁচ হাজারের অধিক মানুষের কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করেছেন এবং আরও হাজারো মানুষের জন্য নতুন সুযোগ তৈরির কাজ চালিয়ে যাচ্ছেন। তাঁর গড়ে তোলা শিল্প প্রতিষ্ঠানগুলো দেশের অর্থনৈতিক চাকা সচল রাখার পাশাপাশি সমাজসেবায়ও উল্লেখযোগ্য ভূমিকা রাখছে। তাঁর প্রতিষ্ঠিত ট্রাস্টের মাধ্যমে শিক্ষা, চিকিৎসা ও অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়ানোর কাজটি প্রশংসার দাবি রাখে বলে মনে করেন অনেকে।
একজন শীর্ষস্থানীয় শিল্প উদ্যোক্তা বলেন, “মোহাম্মদ সোহাগ সাহেবের মতো ব্যবসায়ীদের জন্যই দেশ এগিয়ে চলছে। তিনি রাজনীতি করেন না, ব্যবসা করেন। আর ব্যবসা মানেই কর্মসংস্থান, অর্থনৈতিক উন্নয়ন। জুলাই আন্দোলনের পর তাঁকে ‘রাজনৈতিক দোষর’ বলে ট্যাগিং করার যে অপচেষ্টা হয়েছে, তা সম্পূর্ণ অন্যায়। একজন ব্যবসায়ীকে সব সরকারের সঙ্গে সমন্বয় করে কাজ করতেই হয়—এটাই বাস্তবতা। বিকেএমইএ সভাপতি মোহাম্মদ হাতেমের মতো সোহাগ সাহেবকেও একই ধরনের হয়রানির শিকার হতে হচ্ছে।”
অপহরণ ও দীর্ঘদিনের অনলাইন ব্ল্যাকমেইল চক্রের শিকার হওয়া সত্ত্বেও আলহাজ্ব মোহাম্মদ সোহাগ তাঁর শিল্পযাত্রা থামাননি। বরং তিনি বলেছেন, “সরকার যদি আমার পাশে দাঁড়ায়, তাহলে আমি আরও অনেক বেশি মানুষের কর্মসংস্থান করতে পারব। দেশের সাধারণ মানুষের জীবনমান উন্নয়নে আমার শিল্প গ্রুপ আরও বড় ভূমিকা রাখবে।” তাঁর এই মনোভাবকে ‘অসাধারণ’ বলে প্রশংসা করেছেন ব্যবসায়ী নেতারা।
তদন্ত সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে, ২০২৫ সালের ১ জুন তোলারাম কলেজের সামনে থেকে অপহরণের ঘটনায় দায়ের করা মামলায় ইতোমধ্যে একাধিক আসামি গ্রেপ্তার হয়েছে। তারা আদালতে জবানবন্দিতে মূল পরিকল্পনাকারী আলামিন ওরফে জিতুর নাম উল্লেখ করেছে। পিবিআই, ডিবি ও এসবি’র যৌথ তদন্ত চলছে। ফরেনসিক ও ডিজিটাল তথ্য বিশ্লেষণের মাধ্যমে পুরো ব্ল্যাকমেইল চক্র শনাক্তের কাজ দ্রুত এগোচ্ছে বলে জানা গেছে।
ব্যবসায়ী মহলের দাবি, আলহাজ্ব মোহাম্মদ সোহাগের মতো সৎ ও দক্ষ উদ্যোক্তাদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এখন সময়ের দাবি। তাঁরা বলছেন, “যদি এমন একজন ব্যবসায়ী দেশে স্বাচ্ছন্দে ব্যবসা করতে না পারেন, তাহলে দেশের ব্যবসা-বাণিজ্য কীভাবে এগোবে?” সরকারের কাছে তাঁরা আহ্বান জানিয়েছেন সোহাগ সাহেবের নিরাপত্তা নিশ্চিত করুন, তাঁকে সহযোগিতা করুন। কারণ তাঁর সাফল্য মানে দেশের সাফল্য।
এক কথায়, আলহাজ্ব মোহাম্মদ সোহাগ আজ শুধু একজন শিল্পপতি নন, তিনি হাজারো পরিবারের স্বপ্নের রক্ষক। তাঁর প্রতি সমাজের প্রত্যাশা এই সংকট কাটিয়ে তিনি আরও বড় পরিসরে দেশ গড়ার কাজে নিয়োজিত থাকুন। ব্যবসায়ী মহলের পক্ষ থেকে তাঁর প্রতি অকুণ্ঠ সমর্থন ও প্রশংসা জানানো হয়েছে। ##