স্বতন্ত্র পদে অনঢ় আলী-শাহআলম ; বিজয়ের পথে জব্বার?

227

স্টাফ রিপোর্টার :
নারায়ণগঞ্জ-৪ আসনটি জমিয়ত নেতা মনির হোসাইন কাসেমীকে ছাড় দেয়ার কারনে এখানে বেশ জোরালো ভাবে মাঠে নেমেছেন শিল্পপতি মোহাম্মদ আলী এবং আলহাজ¦ মোহাম্মদ শাহআলম। তারা মাঠ ছাড়ছেন না, কারন এখানে বিএনপির কোনো প্রার্থী থাকছে না এবং ধানের শীষ প্রতিকও থাকছে না। তাই তারা দুই জনই স্বতন্ত্র প্রার্থী হতে অনঢ় অবস্থান নিয়েছেন বলে জানা গেছে। এই দুই জনের মাঝে আরো অনেক আগেই মাঠে নেমেছেন আলহাজ¦ মোহাম্মদ শাহআলম। তিনি যেখানেই যাচ্ছেন সেখানেই জনতার ঢল নামছে। তাই জনপ্রিয়তার দিক থেকে অনেক খানি এগিয়ে রয়েছেন তিনি। বিপরিতে মোহাম্মদ আলী কাল ২৯ নভেম্বর বক্তাবলী শহীদ দিবস উপলক্ষে মাঠে নামতে যাচ্ছেন। এরপর তিনি ধারাবাহিক ভাবে কর্মসূচি পালন করবেন বলে জানা গেছে। তাই মোহাম্মদ আলী এবং শাহআলম দুই জনই স্বতন্ত্র প্রার্থী হলে এই আসনে জামায়াত প্রার্থী আবদুল জব্বারের জয়ের সম্ভাবনা বেড়ে যাবে বলে ধারনা করা হচ্ছে। কারন এই ক্ষেত্রে বিএনপির ভোট তিন ভাগ হবে। শাহআলম পাবেন এক ভাগ, গিয়াস উদ্দিন পাবেন এক ভাগ এবং মনির হোসাইন কাসেমী পাবেন অপর এক ভাগ ভোট। এছাড়া বিএনপির ভোটারদের একটি অংশ বিএনপির প্রতি নাখোঁশ হয়ে জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মাওলানা আবদুল জব্বারকে ভোট দিয়ে দিতে পারেন। এক কথায় এখানে বিএনপির প্রার্থী এবং ধানের শীষ প্রতিক না থাকায় আসনটিতে জামায়াত প্রার্থীর জয়ের সম্ভাবনা বহু গুন বেড়ে গেছে।
এদিকে জামায়াতের প্রার্থী মাওলানা আবদুল জব্বার খুবই পরিকল্পিত ভাবে এগুচ্ছেন। প্রথমত এই আসেেন জামায়াতের কারো বিরুদ্ধে কোনো অভিযোগ নেই। তার উপর মাওলানা জব্বার এলাকার সমস্যাগুলি চিহ্নিত করেছেন। তিনি চারটি সমস্যাকে প্রাধান্য দিয়ে প্রচার চালাচ্ছেন। তিনি বলছেন তিনি নির্বাচিত হলে প্রথমে তিনি এই আসনের বিভিন্ন ইউনিয়নের জলাবদ্ধতা নিরসন করবেন। তারপর তিনি এলাকাকে সন্ত্রাস ও মাদক মুক্ত করবেন একই সঙ্গে তিনি বেকারত্ব দূর করবেন এবং এলাকাবাসীর সুচিকিৎসার ব্যাবস্থা করবেন। এরই মাঝে মাওলানা জব্বারের এই প্রচার জনগনের মাঝে সারা ফেলেছে। আর সবচেয়ে বড় কথা হলো সারা দেশের মতো নারায়ণগঞ্জ-৪ আসনের ভোটাররাও বলছেন যে তারা সব দলকেইতো দেখা হলো। একবার জামায়াতকে ক্ষমতায় বসিয়ে দেখা উচিৎ তারা কি করতে পারেন। মূলত জনগনের এই মনোনভাবও জামায়াত প্রার্থীর জন্য সুবিধাজনক পরিস্থিতির সৃষ্টি করছে। তাই নির্বাচন যতো ঘনিয়ে আসছে ততোই জামায়াত প্রার্থীর বিজয়ের সম্ভাবনাও বাড়ছে। তবে শেষ পর্যন্ত বিএনপি যদি নিজ দল থেকে প্রার্থী দেয় আর সেই প্রার্থী যদি ধানের শীষ প্রতিক নিয়ে নামে তাহলে এখানে বিএনপির প্রার্থী নিশ্চিৎ বিজয়ী হবে বলে ধারনা করা হচ্ছে। ##