স্টাফ রিপোর্টার :
নারায়ণগঞ্জ-৪ আসনে বিএনপি ধানের শীষের একজন একক প্রার্থী ঘোষনা না করার কারনেই এই আসনে মাঠে রয়েছেন চার প্রার্থী। আসনটি জমিয়ত নেতা মনির হোসাইন কাসেমীর জন্য বরাদ্ধ রাখা হয়েছে বলেই জানা গেছে। আর এ কারনেই আসনটিতে বিএনপির মনোনয়ন চেয়ে মাঠে নেমেছেন চার নেতা। এরা হলেন সাবেক এমপি আলহাজ¦ মুহম্মদ গিয়াস উদ্দিন, আলহাজ¦ মোহাম্মদ শাহআলম, মুক্তিযোদ্ধা মোহাম্মদ আলী এবং জেলা যুবদলের সদস্যসচিব মশিউর রহমান রনি। এদের মাঝে গিয়াস উদ্দিন আরো অনেক আগেই এই আসনের সব কয়টি ইউনিয়নে প্রচার সম্পন্ন করেছেন। তবে তার একটাই দূর্বলতা আর সেটা হলো এবার আসন সীমানা পরিবর্তন করায় তিনি এখন আর এই আসনের ভোটার নন। এছাড়া আসনটির সব ইউনিয়নেই তার কর্মী সমর্থকরা রয়েছেন। তারা প্রয়োজনে তাকে এই আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থী হওয়ার জন্য চাপ দিচ্ছে বলে জানা গেছে। অপরদিকে আসনটিতে মোহাম্মদ শাহআলমের বেশ জনপ্রিয়তা লক্ষ করা যাচ্ছে। তিনি যেখানেই যাচ্ছেন সেখানেই মানুষের ব্যাপক উপস্থিতি লক্ষ্য করা যাচ্ছে।
মোহাম্মদ আলী মাঠে নেমেছেন সম্প্রতি। গত এক সপ্তাহ ধরে গোটা এলাকায় তার ব্যানার পোষ্টার নজরে পরছে। তিনি ধানের শীষ চাইলেও বিগত ষোল বছর তিনি বিএনপির রাজনীতি থেকে বিচ্ছিন্ন ছিলেন। তাই তাকে নিয়ে মাঠে বিএনপির নেতাকর্মীদের মাঝে মিশ্র প্রতিক্রিয়া রয়েছে। তবে মোহাম্মদ আলী স্বতন্ত্র প্রার্থী হলে তিনি আওয়ামী লীগ সমর্থকদের অধিকাংশ ভোট পাবেন বলে ধারনা করা হচ্ছে।
অপরদিকে তরুন প্রজন্মের নেতা মশিউর রহমান রনিকে নিয়ে অন্য রকম আগ্রহের সৃষ্টি হয়েছে এই আসনের সাধারন ভোটারদের মাঝে। ফতুল্লার মানুষ মনে করেন রনি জয়ী হলে এলাকার কাজ হবে। তিনি উন্নয়ন করবেন এবং তাকে সহজে পাশে পাবে ফতুল্লার মানুষ। এছাড়া এক মাত্র তিনিই গত গত বছরের গনঅভ্যুথ্যানের পর থেকে মানুষের দু:খ কষ্ট লাগবের চেষ্টা করে যাচ্ছেন। এবারের বর্ষায় তিনি ফতুল্লার ইউনিয়ন গুলির জলাবদ্ধতা নিরসনের লক্ষে ব্যাপক তৎপরতা চালিয়েছেন। তাই বিএনপি যদি তাকে মনোনয়ন দেয় তাহলে তার জয়ের সম্ভাবনা রয়েছে। তবে তিনি বয়সে ছোট এটাই তার জন্য বড় বাধা।
এদিকে এই চার নেতার মাঝে এক মাত্র রনি ছাড়া বাকী তিনজন পরিস্থিতি বুঝে স্বতন্ত্র প্রার্থী হতে পারেন বলেও ধারনা পাওয়া গেছে। যেমন এদের মাঝে আলহাজ¦ মোহাম্মদ শাহআলম জানিয়েছেন তিনি এক ভোট পেলেও নির্বাচন করবেন।
ফলে আসনটির সচেতন ভোটাররা মনে করেন, এখানে বিএনপির নিজ দলের কোনো প্রার্থী না থাকায় এবং প্রতিক হিসাবে ধানের শীষ না থাকার কারনেই এভাবে চার প্রার্থী মরিয়া হয়ে মাঠে নেমেছেন। আর এতে বেশ অস্বস্তিতে পরেছেন বিএনপির সর্ব স্থরের সমর্থকরা। ##




